স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচন আসলেই একটি দুষ্টচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে—এ কথা আগেও বলা হয়েছে। সে কারণেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে সব বাহিনীর জন্য নির্বাচনকালীন বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “এই প্রশিক্ষণ শুধু একটি বাহিনী নয়, সব বাহিনীকেই দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।”
বর্ডার দিয়ে অস্ত্র আসার বিষয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে দু-চারটি অস্ত্র প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না। তবে সেগুলো নিয়মিতভাবে উদ্ধার করা হচ্ছে।
নির্বাচনকালীন অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গে তিনি জানান, থানা থেকে লুট হওয়া কিছু বৈধ অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে এই অস্ত্রগুলো নির্বাচনের সময় ব্যবহার করা যাবে না—এ ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, কিছু অস্ত্র খাল-বিল বা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার কারণে সেগুলো উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও প্রতিদিনই কিছু না কিছু অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে, যদিও মানুষের প্রত্যাশার তুলনায় সংখ্যাটি কম হতে পারে।
সাম্প্রতিক অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে একটি মাদ্রাসা শিক্ষকের বাসা এবং শরীয়তপুরে ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগের তুলনায় দেশে জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থী তৎপরতা অনেক কমে এসেছে। “এখন জঙ্গিবাদ প্রায় নেই বললেই চলে,”—বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কিছু ফ্যাসিস্ট ও চরমপন্থী বিদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।




