স্টাফ রিপোর্টার | ৩ জানুয়ারি ২০২৫ | নিউজ চ্যানেল বিডি
শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান সবসময়ই শক্তিশালী। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইসহ নানা গণআন্দোলনে শ্রমজীবী মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাই রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই জনবান্ধব হতে হবে এবং বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এই চিন্তা থেকেই আজকের এই প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। বিশেষ করে রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে একটি শৃঙ্খলিত ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকা শহরের নগর পরিবহন ব্যবস্থা আরও নিরাপদ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
এই উদ্যোগের নকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে যুক্ত বুয়েটের প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়। প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে। বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়, যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার মাধ্যমে পরিবেশ ধ্বংসের বড় দায় শ্রমজীবী মানুষের নয়; বরং সমাজের অন্য একটি শ্রেণিই পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রাজধানী ঢাকায় রিকশাচালকদের জন্য নেওয়া এই পাইলট প্রকল্প সফল হবে এবং শ্রমজীবী মানুষকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।
এছাড়া ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চালকদের সচেতনতা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা কমবে এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবন ও জীবিকা আরও সুরক্ষিত হবে। দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের পরিবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তৃতায় সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি দুর্ঘটনার পরবর্তী চিকিৎসা ও ফলোআপ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।





