মামলার ভয়ে দমে যাবো না, প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে সার্জিস আলাম।

ছবি সংগৃহীত

মামলার ভয়ে দমে যাবো না, প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে সার্জিস আলাম।

কিছুক্ষণ আগে “এনি ভাই” বলেছেন, ডিবি অফিসে তার সাথে আমাদের দেখা হয়েছিল। সত্যিই সেদিন ওই ডিবি অফিসের গারদের একটি কামরায় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, এনি, রুহুল কবির রিজভী ও আন্দালি রহমান পার্থসহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একসঙ্গে ছোট একটি রুমে ছিলাম। সেখান থেকেই আমরা সাহস পেয়েছি।

অভ্যুত্থানের পর আমরা দেখছি, হাবিবুর রহমান ও ফজলুর রহমানরা ফ্যাসিবাদের টোনে কথা বলছেন, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক। আমরা বিশ্বাস করি, তারা শুধুমাত্র দুই ব্যক্তি, কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করে না।

আমরা আশা করি, জাতীয়তাবাদী শক্তি বিএনপি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এবং ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান দেবে না।

আমরা ছোটবেলায় দেখেছি কিভাবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরীসহ নেতারা জেলখানা থেকে বের হয়ে আদালতের সামনে হাজিরা দিতেন; তাদের দৃঢ়তা আমাদেরকে শিহরিত করত।

তবে যখন আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করি, সত্য কথা বলি বা যৌক্তিক সমালোচনা করি, তখন আমাদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার  মামলা হয়। আমরা মনে করি, এসব আমাদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা।

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, যারা এসব কাজ করছে তারা বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করে না, বরং অতি উৎসাহী হয়ে ফুটেজ খাওয়ার আশায় এসব করছে।

তবে তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কমান্ড থেকে যখন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তখনই আমরা তা বিশ্বাস করব।

গাজীপুরে ঘটনায়

সেদিন আমি একটি লেখা লিখেছিলাম। লেখার,দুইটা পার্ট ছিল। কারণ ঘটনা দুইটা ছিল।আমাদের একজন সাংবাদিক ভাইকে বিএনপির,ওইখানকার স্থানীয় একজন কর্মী আহত করেছে।এটা ছিল প্রথম প্যারা। যেটা সত্য। দ্বিতীয়প্যারা ছিল স্থানীয় একজন। আমি লিখেছিলামচাঁদাবাজ সন্ত্রাসী আমার

আরেকজন সাংবাদিক ভাই তুহিনকে গলা কেটে হত্যা করেছিল। যখন আমি কয়েক ঘন্টা পরে দেখলাম ওই লোকটি চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী নয় ছিন্তাইকারী,সন্ত্রাসী তখন আমি সেটি ঠিক করে দিয়ে লিখেছিলাম ছিন্তাইকারী সন্ত্রাসীকিন্তু আজকে আমি দেখছি যে এই যে ট্যাগ গুলো কিংবা এই যে মানুষগুলো যে অপকর্ম করেছিল ওই চাঁদাবাজ ওই সন্ত্রাসী ওই চিন্তাইকারী কেন ওইরকম স্থানীয় পর্যায়ের উপজেলার একজন দায়িত্বশীল সেই অপকর্মের দায়ী নিজের গায়ে নিয়ে মামলা করলো।

এই ঘটনায়  শুধু বিএনপি নয় কোন রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে বলিনি আমরা মনে করি যে কোন একটি অপকর্ম করে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় সে অপকর্মকারী।

তাই দল মত নির্বিশেষে, এনসিপি বা যুবশক্তির কেউ এসব কাজ করলে আমরা প্রতিবাদ জানাব।দেখেছি কয়েকদিন আগে কিভাবে মিডিয়া আবার ওই ৫ই আগস্টের পূর্বের যে রূপ সেই রূপ যেকোনো সময়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দেখাতে পারে। যেই লোক বাংলাদেশে তো নয়, বাংলাদেশ থেকে প্রায় 13,000 কিলোমিটার দূরে ওই ওয়াশিংটন ডিসি তে বসে থাকে, এই মিডিয়া সেই লোকের সাথে আমাদের মিটিং করিয়েছে। এই মিডিয়া আমাদের সাথে সেই লোকের একসাথে নাস্তা করিয়েছে। এই মিডিয়া আমাদের সাথে সেই লোকের একসাথে বৈঠক করিয়েছে। আমরা দেখি তিনবার ব্রেকিং ব্রেকিং ব্রেকিং দিয়ে ওই চ্যানেল ওয়ান। এই চ্যানেল ওয়ান থেকে প্রথম এই প্রোপাগান্ডা পুরা বাংলাদেশকে পুরা পৃথিবীকে গেলানো হয়েছে। আমরা এখন ওই চ্যানেলের নাম দেখে শান্তথাকবো না। আমরা দেখব ওই চ্যানেলের মালিক কে? আমরা দেখেছি ওই চ্যানেল ওয়ানের মালিক হচ্ছে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। আমরা দেখব ওই গিয়াসউদ্দিন আল মামুনরা কার ছত্রছায়ায় এত বড় প্রপাগান্ডা করার সাহস পায়। আমাদেরকে মিডিয়া কর্মীরা এটা পর্যন্তবলেছে ভাই আমরা কনফার্ম। উনি দেশে নেইকিন্তু উপরের চাপ আছে। আমাদেরকে ব্রেকিংদিতে হয়েছে। আমরা সেই সকল হেড অফ মাল্টিমিডিয়া, হেডঅফ নিউজ, ওই প্রডিউসার, ওই মালিকদের বলতে চাই, এই বাংলাদেশে এসব অপকর্ম করে আপনারা আর পার পাবেন না।আর আমরা ছাড় দিব না। ওই গোড়ায় গিয়ে আমরা হাত দিব। আরেকটি বিষয়, বলা হয়েছে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা বলব, তদন্তের সময় বাদীর আমলনামা যাচাই করবেন।

“কেঁচো খুড়তে যদি সাপ না বের হয়, তখন আমাদের দোষ দিয়েন” সত্যিকারের ঘটনা আমরা উন্মোচিত করব।

বক্তব্য শুরুতে সার্জিস আলম নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর প্রশংসা করে বলেন উনি যা বলেছেন তার পরে আর আমার বলার কিছুই নেই আমি তার সকল বক্তব্যর সাথে সহমত পোষণ করছি।