মিরপুরে যুবদল নেতা হত্যাকাণ্ডে কিলিং মিশনের পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে

ভুঁইয়া জনিকে জনতা ধরে ফেলায় বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য আন্ডারওয়ার্ল্ড আধিপত্যের জেরে হত্যার আশঙ্কা

Posted by:

on

স্টাফ রিপোর্টার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
রাজধানীর মিরপুরে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে ভুঁইয়া জনি নামে একজনকে জনতা ঘটনাস্থলেই ধরে ফেলে। ইতোমধ্যে নিহতের স্ত্রী পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
ময়নাতদন্ত শেষে জানা যায়, ঘটনাটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দোকানের বাইরে ব্যাকআপ টিম হিসেবে অবস্থান করছিলেন পাতা সোহেল ও ভাগ্নে মাসুম—দু’জনই মিরপুরের বাউনিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা।
দোকানের ভেতরে গুলি ছোড়া তিনজনের নেতৃত্ব দেয় নীল পাঞ্জাবি পরিহিত ভুঁইয়া জনি। সামনাসামনি দাঁড়িয়ে সে বারবার গুলি চালান কিবরিয়ার ওপর। তার সঙ্গে থাকা কাল্লু এবং লোপন ওরফে রোকনও একইভাবে গুলিবর্ষণে অংশ নেন। কাল্লু ও রোকন দু’জনই মিরপুর ১২ নম্বর পানির ট্যাংকি এলাকার বাসিন্দা।
গুলি করা চারজন ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম হলেও জনতার ধাওয়ায় ধরা পড়ে জনি। তবে ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও জনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ শুধু একজন সন্দেহভাজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পাঁচজনই মামুনের ছোট ভাই সন্ত্রাসী মশিউরের ক্যাডার বাহিনীর সদস্য। দুবাইপ্রবাসী মশিউরের হয়ে মিরপুরের সবুজবাংলা ও বাউনিয়াবাদ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতেন কিবরিয়ার ঘাতক দর্জি মামুন পাতা সোহেল এবং ভূঁইয়া জনি

পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের শনাক্তে কাজ চলছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে যাচাই ছাড়া কিছু নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি হত্যার পেছনে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।