স্টাফ রিপোর্টার | ২০ এপ্রিল ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
ঢাকা: শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষকদের ওপর চাপ কমাতে পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের গুণগত মান বজায় রাখতে পরীক্ষকদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে, যাতে তারা প্রতিটি খাতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।
তিনি জানান, আগে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত খাতা দেখার চাপ থাকলেও এবার আনুপাতিক হারে খাতা বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, ফলে তাড়াহুড়ো করে মূল্যায়নের প্রয়োজন হবে না।
ড. মিলন বলেন, মূল্যায়নে কোনো ত্রুটি বা বৈষম্য হচ্ছে কিনা তা যাচাই করতে এবার ‘রেন্ডম স্যাম্পলিং’ পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নির্বাচিত কিছু খাতা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পুনরায় যাচাই করা হবে।
তিনি বলেন, কোনো পরীক্ষক অতিরিক্ত কঠোরতা বা অবহেলা করছেন কিনা, তা এই প্রক্রিয়ায় শনাক্ত করা যাবে। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্য নম্বর থেকে বঞ্চিত হবে না।
খাতা দেখার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পরীক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঢালাওভাবে নম্বর বাড়ানোর নির্দেশনা দেইনি। তবে খাতা দেখার সময় সহনশীল হতে হবে। একটি উত্তরের অধিকাংশ অংশ সঠিক হলে শিক্ষার্থীকে যথাযথ নম্বর দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি রোধে পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট ১৯৮০ সংশোধন করা হচ্ছে। নতুন আইনে ডিজিটাল অপরাধ এবং কেন্দ্র সচিবদের অবহেলাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে।





