স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ মার্চ ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন স্তরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাধীনতার ইতিহাস ও তাৎপর্য
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস হামলার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
দেশজুড়ে কর্মসূচি
দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ভোরে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের সূচনা হয় এবং সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও বড় আকারের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া আয়োজন
দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি ও হাডুডুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছে।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে। সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং জাদুঘরগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
বিশেষ আয়োজন ও প্রার্থনা
নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ বিভিন্ন বন্দরে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।





