স্টাফ রিপোর্টার | ২৭ মার্চ ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত সময় পার করছে চট্টগ্রাম বন্দর। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের আগমন-নির্গমনে বন্দরে চলছে ব্যাপক কার্যক্রম।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৩৪টি জ্বালানি বহনকারী জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটিতে অবস্থান করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ ইতোমধ্যে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
খালাস শেষ করা জাহাজগুলোর মধ্যে কাতার ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এলএনজি জাহাজ ‘আল জুর’, ‘লুসাইল’ ও ‘প্রাচী’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আগত এলপিজি জাহাজ ‘মর্নিং জেন’ ও ‘এপিক সান্টার’ এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্যাস অয়েলবাহী ‘গ্রান কুভা’ তাদের কার্যক্রম শেষ করেছে।
বর্তমানে তিনটি জাহাজ সরাসরি খালাস প্রক্রিয়ায় রয়েছে বা অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা এলপিজিবাহী ‘বিডব্লিউইকে বর্নহোম’ জাহাজটি সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে। থাইল্যান্ড থেকে আসা ‘এবি অলিভিয়া’ জাহাজটি বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে রয়েছে এবং সিঙ্গাপুর থেকে আগত ‘গ্রান কুভা’ জাহাজটি কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে।
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আসা ‘এইচএল পাফিন’ নির্ধারিত সময়ে না পৌঁছালেও ইন্দোনেশিয়া থেকে ‘নিউ ব্রেভ’ আজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে ‘পিভিটি সোলানা’ আগামী ৩১ মার্চ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব জাহাজে আনা গ্যাস ও জ্বালানি তেল দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।





