স্টাফ রিপোর্টার, ১১ মে ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
বগুড়ার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা। এই উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে মোকামতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে, যা পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে।
সোমবার (১১ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সাথে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমপি।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পরবর্তী ৫৫ বছরের উন্নয়ন ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি সোনাতলা উপজেলা উপহার দিয়েছেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাজাহানপুর উপজেলা উপহার দেন। আর সেই উন্নয়ন ধারাবাহিকতার সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে তাদেরই উত্তরসূরি মোকামতলা উপজেলা উপহার দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবার স্বাধীনতার পর থেকেই বগুড়ার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর বগুড়ার উন্নয়ন পরিকল্পনাকে পরিকল্পিতভাবে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার করা হয়েছে। সেই উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে বর্তমানে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বগুড়ার জন্য আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটি ও পাইলট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়ামসহ একাধিক বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
মোকামতলা উপজেলা ঘোষণার পর প্রথম সরকারি সফরে প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে পুরো মোকামতলা বন্দর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। আয়োজকদের দাবি, অন্তত ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে জনসমাবেশ রূপ নেয় জনসমুদ্রে। মানুষের চোখেমুখে ছিল আনন্দ, কণ্ঠে ছিল স্লোগান—প্রধানমন্ত্রী ও এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।
অনুষ্ঠান শেষে সর্বস্তরের মানুষ ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে বরণ করেন। পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আবেগ, উচ্ছ্বাস এবং উন্নয়নের প্রত্যাশায় এক নতুন স্বপ্নযাত্রার বার্তা।





