স্টাফ রিপোর্টার | ১১ নভেম্বর ২০২৫ | নিউজ চ্যানেল বিডি
বাগেরহাট জেলার চারটি আসন থাকা অবস্থায় নির্বাচন কমিশন গত ৩০ জুলাই দেশের সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে বাগেরহাটের চারটি আসন তিনটিতে নামিয়ে দিয়ে একটি আসন গাজীপুরে স্থানান্তর করে গেজেট প্রকাশ করেছিল। এ গেজেটের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করি।
তবে ৪ আগস্ট নির্বাচন কমিশন নতুন করে চূড়ান্ত গেজেট জারি করে— যেখানে পূর্বের সীমানা নির্ধারণ ও পুনর্বিন্যাস পরিবর্তন করে বাগেরহাটকে তিনটি আসনে বিন্যস্ত করা হয় এবং গাজীপুরে নতুন এক আসন যোগ করা হয়।
বাগেরহাটের জনগণের আপত্তি ও প্রয়োজনীয় আরপিও ধারা না থাকা সত্ত্বেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় আমরা মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করি। রিটটি আমাদের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার মোঃ জাকির হোসেন উপস্থাপন করেন।
পরপর সাত দিন শুনানি শেষে, মহামান্য হাইকোর্ট গতকাল দীর্ঘ চার ঘন্টার রায়ে বাগেরহাটের আসন সংখ্যা কমিয়ে গাজীপুরে নতুন আসন তৈরির গেজেটকে বেআইনী, অকার্যকর ও বাতিল ঘোষণা করেন। আদালত নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন বাগেরহাটের চারটি আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গাজীপুরের নতুন আসনটি বিলুপ্ত করে পুনরায় গেজেট প্রকাশ করতে।
রায়ের কপি নির্বাচন কমিশনে এখনও পৌঁছায়নি। তবে আমরা আগেই নির্বাচন কমিশনের মাননীয় সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাগেরহাটবাসীর আর্তি ও অবস্থান তুলে ধরেছি। আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছি— আদালতের রায়কে সম্মান জানিয়ে জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে এবং এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা ওই অঞ্চলের মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
বৈঠকে মাননীয় সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের বক্তব্য সহানুভূতিশীলভাবে শুনেছেন এবং বিষয়টি আইনানুগভাবে পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনে আলোচনা চলাকালে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ সালাম, কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন মনিরুল ইসলাম খান সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।






