ডিবি প্রতিবেদনে: পশ্চিম তেজগাঁওয়ে বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ও গ্রেফতার

হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি, গোয়েন্দা তদন্ত ও আসামীদের শনাক্তকরণ ও গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার | ৭ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, আনুমানিক রাত ৮:৩০ ঘটিকার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজগাঁও, পরাস্ত হোটেল সুপারস্টারের পাশে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান ওরফে মোসাব্বির এবং সুফিয়ান মাসুদকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালায়।

ঘটনার পর আহতদের নিকটস্থ বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ আজিজুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সুফিয়ান মাসুদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ জনকে আসামী করে তেজগাঁও থানায় ৮ জানুয়ারি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি নিবিড় তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ডিবি জানায়, “ঘটনাটি একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা ছিল। আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি এবং বেশ কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সিসি ফুটেজ সংগ্রহ, আশেপাশের ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং সোশ্যাল মিডিয়া ও ওপেন সোর্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে আসামীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হই।”

এরপর ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, ভৈরব, কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট দুইজন শুটারের একজন জিনাত পিতা আব্দুর রশিদ এবং ঘটনার মূল সমন্বয়কারী মোঃ বিল্লাল হোসেন গ্রেফতার হন।

শহিদুল্লাহর ভাই আব্দুল কাদির, যিনি পলায়নে সহায়তা করেছিল এবং আসামীদের মোবাইল পরিবর্তনসহ অন্যান্য কাজে সহযোগিতা করেছিল, তাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া, হত্যার আগে রেকি করার জন্য মোহাম্মদ রিয়াজকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে একটি নাম্বার প্লেট বিহীন মোটরসাইকেল এবং ৬০০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, “আমরা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছি।”