শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবী থানাধীন ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর এক জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন—
“বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দল ইসলামকে বিক্রি করছে, আবার কেউ ইসলামকে ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। আমি এমন একটি ভিডিও দেখেছি যেখানে বোরখা পরিহিত কিছু নারী রাতের অন্ধকারে ভোট চাওয়ার নামে মানুষের বাসায় প্রবেশ করে তাদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করেছে। এটি নিছক ডাকাতি ছাড়া আর কিছুই নয়। ইসলামকে ব্যবহার করে এ ধরনের প্রতারণা ও অপপ্রচার আমরা কখনোই মেনে নেব না।”
তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার কর্মপরিকল্পনা দেশের ভবিষ্যতের রূপরেখা। তাই এই বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষের সাথে বসে তাদের সমস্যার কথা শুনতে হবে, এবং বোঝাতে হবে কেন ধানের শীষে ভোট দেওয়া প্রয়োজন।
আমিনুল হক বলেন, ধানের শীষে ভোট দিলে—
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে,
বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে,
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে,
সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
দলীয় নেতাদের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন,
“আপনারা গত ১৭ বছর মামলা-হামলা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন। আজ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুক্ত হাওয়ায় হাঁটতে পারছেন, মত প্রকাশ করতে পারছেন—এটাই আপনাদের অর্জন। এই অর্জন কাজে লাগাতে হবে দেশের মানুষকে একত্রিত করতে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে—
“আমরা দৃশ্যমান রাজনীতি করি, দিনের আলোয় রাজনীতি করি। যারা রাতের অন্ধকারে রাজনীতি করে তারা নিজেদের স্বার্থে করে, জনগণের কল্যাণে নয়।”
শুধু লিফলেট বিতরণে সীমাবদ্ধ না থেকে জনগণের দরজায় দরজায় গিয়ে আস্থা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। বলেন—
“ধানের শীষে ভোট দিলে ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষা পাবে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে, এবং মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।”
সভায় মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোঃ মোস্তফা জামান সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিএনপির জেষ্ঠ্য সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, এবিএমএ রাজ্জাক, মোঃ আক্তার হোসেন, গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, এম কফিল উদ্দিন আহমেদ, মোঃ শাহ আলম, মাহবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক শেখ ফরিদ আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





