বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের

নয়া পল্টনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, রাস্তা খালি রাখার অনুরোধ

Posted by:

on

স্টাফ রিপোর্টার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।

বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । সোমবার বিকেলে নয়া পল্টনে (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছে দোতলার বারান্দা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন,
“আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকে আসুন—আমরা আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব, আমরা সবাই সচেষ্ট হই।”

তিনি আরও বলেন,
“রাস্তায় যদি কোথাও কাগজ পড়ে থাকে, ময়লা থাকে—তখনই সেটাকে সরিয়ে দেবো। এভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেই দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে।”

নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন,
“এখন সকলকে অনুরোধ করবো, দ্রুত রাস্তাটা খালি করে দিন, যেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।”

তিনি বলেন,
“আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। দেশনেত্রী -এর জন্য দোয়া করবেন।”

কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি না থাকার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন,
“আজ এখানে আমাদের কোনো অনুষ্ঠান নেই। রাস্তা বন্ধ থাকলে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এখান থেকে সবাই চলে যাবেন। ইনশাল্লাহ, কর্মসূচি হলে তখন আপনাদের সামনে বিস্তারিত বক্তব্য রাখবো।”

বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে তারেক রহমান নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ের কারণে তার গাড়ি কার্যালয়ের সামনে আনতে নিরাপত্তাকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে তিনি গুলশানের বাসা থেকে গাড়িবহর নিয়ে রওনা দেন। নয়া পল্টন সড়কে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে গাড়িবহর ধীরগতিতে অগ্রসর হয়।

কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানে নেতাকর্মীরা তাদের নেতাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি দোতলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের জন্য নতুনভাবে নির্মিত আলাদা চেম্বারে যান। বিএনপি চেয়ারপারসনের কক্ষের পাশেই এই চেম্বারটি তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর নয়া পল্টনে এটিই তারেক রহমানের প্রথম অফিস করা।

এর আগে গতকাল রোববার তিনি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থানের পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তিনি ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সুপ্রিম কোর্টের জামিনে স্বপরিবারে লন্ডনে যান। দীর্ঘদিন সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি, তার স্ত্রী এবং কন্যা দেশে ফিরতে পারেননি।