স্টাফ রিপোর্টার |৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, যমুনায় আন্দোলনকারীদের প্রবেশচেষ্টার ঘটনায় পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ ছিল না। তিনি জানান, ছুটির দিনে বাসায় ব্যক্তিগত কাজে থাকাকালে খবর পান যে আন্দোলনকারীরা সরকার প্রধানের বাসভবন-কাম-অফিসের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের কয়েক দিন আগে এবং ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় এমন ঘটনা ঘটলে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়া অন্য কোনো পথ ছিল না। সময়মতো অতিরিক্ত ফোর্স পাঠাতে কিছুটা বিলম্ব হলেও তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যান এবং ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশকেও সহায়তার জন্য ফোন করেন। পরে আইজিপিও সেখানে উপস্থিত হন।
ডিএমপি কমিশনার দাবি করেন, পুলিশ সদস্যরা সমন্বিতভাবে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, “সরকার প্রধানের বাসভবনে ঢোকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ কি বসে থাকতে পারে?”
একই সঙ্গে তিনি সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তা অবরোধের কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, অল্পসংখ্যক লোক সড়ক অবরোধ করলে জরুরি সেবায় বিঘ্ন ঘটে—গর্ভবতী নারী, হৃদরোগী, পরীক্ষার্থী বা বিমানযাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
শহরের আইনশৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, কোথায় কোথায় সড়ক অবরোধ হচ্ছে, সে তথ্য তুলে ধরা প্রয়োজন। রাজধানীকে নিরাপদ রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার।





