স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ মে ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এর আগে শাহাদত বার্ষিকী সফলভাবে পালনের লক্ষ্যে দলীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রুহুল কবির রিজভী। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হবে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।
৩০ মে শনিবার ভোর ৬টায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার-এ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন।
জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানাসহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড় এবং চাল-ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে।
পরদিন ৩১ মে রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে শহীদ জিয়াউর রহমান রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে জনগণকে স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দেন।
এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কর্মসূচি পালনের সময় জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি হয় এমন কোনো কার্যক্রম করা যাবে না। রাস্তার মোড়ে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করে আলোচনা সভা না করে উন্মুক্ত মাঠ বা মিলনায়তনে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে।





