ঢাকা, ৩ অক্টোবর:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছে, তাদের “শাপলা” প্রতীক বরাদ্দ পেতে আর কোনো আইনি বা রাজনৈতিক বাধা অবশিষ্ট নেই। দলটির ভাষ্য, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার সদ্য প্রকাশিত ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে রাজনৈতিক বাধাও দূর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে মাহমুদুর রহমান মান্না তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন,
“শাপলা প্রতীক যদি তাদের (এনসিপি) দিয়ে দেয়, কোনো মামলা করব না।”
এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মান্নার উক্ত ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বলা হয়,

“অবশেষে এনসিপি’র শাপলা প্রতীক পেতে আর কোনো আইনি ও রাজনৈতিক বাধাই অবশিষ্ট রইল না।”
এনসিপি জানায়, নির্বাচন কমিশন প্রথমে শাপলা প্রতীক বরাদ্দে আইনি বাধার কথা বললেও, তাদের লিগ্যাল উইং প্রমাণসহ ব্যাখ্যা দিয়ে দেখিয়েছে যে, আইনগতভাবে এনসিপিকে প্রতীক দিতে কোনো সমস্যা নেই। তখন কমিশন বলে, রাজনৈতিক বাধা রয়েছে, কারণ শাপলা প্রতীক প্রথমে নাগরিক ঐক্য চেয়েছিল।
তবে মাহমুদুর রহমান মান্নার ঘোষণার মাধ্যমে সেই রাজনৈতিক বাধাও দূর হয়ে গেছে বলে জানায় এনসিপি।
বিবৃতিতে দলটি আরও জানায়:
“আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আপনারা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন। স্বেচ্ছাচারিতা পরিহার করুন, দলীয় প্রভাব থেকে বের হয়ে জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠুন।”
“শাপলা” বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক প্রতীক, যা একাধিক দল চাইলে নির্বাচন কমিশনের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতীক বরাদ্দে সমঝোতা না হওয়ায় বিগত সময়ে নানা জটিলতা দেখা গেছে। তবে এবার মান্নার বক্তব্যে একটি বড় বাধা দূর হলো বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি এখন আশাবাদী, নির্বাচন কমিশন সব বাধা দূর হওয়ার প্রেক্ষিতে যথাযথভাবে “শাপলা” প্রতীক তাদের বরাদ্দ দেবে। বিষয়টি এখন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।





