স্টাফ রিপোর্টার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
উপদেষ্টারা শপথের দিন উপস্থিত থাকবেন এবং ফ্ল্যাগবাহী গাড়িতে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। শপথের পর, সেই গাড়ি তাদের বারসায় পৌঁছে দেবে, তবে ফ্ল্যাগ থাকবে না। তারা সবাই দেশের গর্বিত সন্তান এবং দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন চিফ এডভাইজার। মাঠ প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের কারণে শপথের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনের সফল সমাপ্তির পর তিনি পদত্যাগের প্রস্তাব দেবেন।
এটি একটি রেভোলিউশনের ফল এবং জনগণের আশা অনুযায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা, মানুষের অধিকার সংরক্ষণ, ব্যাংকিং ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন এবং এক্সিকিউটিভ অর্ডার প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনগুলো পার্লামেন্টে পাশ হলে দেশের সরকারি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হবে।
চিফ এডভাইজার শপথ নেওয়ার পরও সোশ্যাল বিজনেস, মাইক্রো ক্রেডিট, দরিদ্রতা নির্মূল, পরিবেশ সুরক্ষা ও নেট জিরো কার্বন এমিশন, বিশ্বব্যাপী সম্পদ বন্টন এবং জিরো বেকারত্ব নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন। তাঁর থ্রি জিরো ভিশনের লক্ষ্য দেশ এবং বিশ্বকে আরও উন্নত ও ন্যায্য করার দিকে এগিয়ে নেওয়া।
তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য সিম্পল কিন্তু গভীর। দেশ ও বিশ্বের মানুষের জীবনমান উন্নত করা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রগতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।”





