স্টাফ রিপোর্টার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
বিএনপিই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক—এ মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে একদলীয় শাসন অবসানের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আর বেগম খালেদা জিয়া দেশে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেন।”
তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপসহীন ভূমিকা রেখে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। “অনেকে সামরিক শাসক এরশাদের সঙ্গে আপোষ করে নির্বাচনে অংশ নিলেও বেগম জিয়া কখনও আপোষ করেননি। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও সামরিক সমর্থিত সরকারের সঙ্গে আপোষ না করে জেল জীবন কাটাতে হয়েছে তাঁকে।”
তারেক রহমানকেও আপসহীন নেতৃত্বের ধারক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারেক রহমানের সামনে বহু অফার থাকা সত্ত্বেও তিনি কোন আপোষ করেননি। বিএনপি গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে গঠিত দল—এখানে আপোষের সুযোগ নেই।”
বিএনপি ক্ষমতায় থাকুক বা বিরোধী দলে—অবস্থান একই
আমীর খসরু বলেন, বিএনপি যেখানেই থাকুক—সরকারে বা বিরোধীদলে—দেশের স্বার্থ রক্ষা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত। তিনি বলেন, “আমাদের দল গঠিত হয়েছে দেশপ্রেমিক চিন্তা থেকে। আমাদের মূল স্লোগান—প্রাইভেট সেক্টর–লেড গ্রোথ, উৎপাদনের রাজনীতি, উন্নয়নের রাজনীতি। বিরোধী দলে থাকলেও জনগণের এজেন্ডা নিয়ে সরকারকে চাপ দেব।”
‘সংঘর্ষের রাজনীতি বিএনপি চায় না’
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি সহনশীলতার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, “অনেক মন্তব্য ও প্ররোচনা সত্ত্বেও আমরা সংঘর্ষে যাচ্ছি না। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা না এলে শত রিফর্ম করেও কোন লাভ হবে না। ভিন্নমতের প্রতি সম্মান দেখাতে না পারলে দেশ এগোবে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি—গণতান্ত্রিক অর্ডার ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই অনেক অন্যায় সহ্য করেও আমরা নির্বাচনমুখী হচ্ছি, কারণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যাবে।”





