স্টাফ রিপোর্টার | ৯ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার কোনো দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েনি এবং নির্বাচনে সম্পূর্ণ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, কেউ কেউ ভিন্নভাবে ভাবলেও বাস্তবতা হলো—নির্বাচনের আগে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে যা যা করণীয়, সবই করা হচ্ছে।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা প্রসঙ্গে তারা বলেন, তিনি কেবল বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতীয় নেত্রী। পুরো বাংলাদেশের মানুষের নেত্রী হিসেবেই তার জন্য রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এতে কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের প্রশ্ন নেই।
নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হয়, বর্তমানে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই ও আপিল প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার দৃশ্য, পোস্টার ও প্রচারণায় নির্বাচনী আমেজ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
সরকারি পক্ষের দাবি, বড় কিংবা ছোট—সব রাজনৈতিক দলের জন্যই একই প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগ বিদ্যমান। দৃশ্যমানভাবে এমন কোনো পরিস্থিতি নেই, যার ভিত্তিতে বলা যায় দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।
ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পীর-আউলিয়াদের দেশ। গত বছর জানুয়ারিতে কালুশাহ মাজারে হামলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। যদিও এ বছর মাজারটি মেরামত করা হয়েছে, তবে হামলার কিছু চিহ্ন এখনো রয়ে গেছে। সম্প্রতি সেখানে ওরসে প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম হয়।
এ প্রসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা দেওয়া হয়—বাংলাদেশ একটি সম্প্রীতির দেশ। মত, পথ, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সম্মান করতে হবে। কেউ কোনো ধর্মীয় স্থানে যেতে না চাইলে না যেতেই পারে, কিন্তু ঘৃণা ছড়ানো বা হামলা চালানো ভয়াবহ ও নিন্দনীয় অপরাধ।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি মাজারে হামলার ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং উগ্র ও বিভাজনমূলক শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।





