স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
সাইফুল হক বলেছেন, “ধরুন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো এবং নতুন সরকার পার্লামেন্টে গঠন হলো। নির্বাচনের আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি ছিল, তা বাস্তবায়নের জন্য তাদের নিয়মিত জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। প্রথম ১০০ দিন, প্রথম ছ মাস এবং এক বছরের জন্য তারা কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা পর্যবেক্ষণ করা হলে পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নইলে এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়নের মতো শুধুই আলোচনা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র এবং কল্যাণকামী রাষ্ট্র বলতে আমরা শুধুমাত্র নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই না, সবচেয়ে অধিকারবঞ্চিত মানুষের সামাজিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। যদি শ্রমিকের পেটে আগুন জ্বলে এবং খাদ্যের নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হয় না। এটি মানবিক বোধ, গণতান্ত্রিক বোধ, সাম্য ও কল্যাণবোধ জাগিয়ে তোলার একটি বড় শিক্ষা।”
সাইফুল হক উল্লেখ করেন, “গত দেড় বছরে বৈষম্য, শোষণ এবং অমানবিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে এবং নির্বাচিত সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ হয়, আমরা আশা করতে পারি পরিস্থিতি উন্নতি হবে। সরকারের ওপর ধারাবাহিক নজরদারি এবং রাজনৈতিক দল ও পার্লামেন্ট সদস্যদের নিয়মিত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বাস্তব পরিবর্তনের পথ।”
তিনি যোগ করেন, “আমরা যৌথভাবে উদ্যোগ নিয়ে এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। এটি শুধু সরকারের জন্য নয়, জনগণের কল্যাণ এবং সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”





