স্টাফ রিপোর্টার | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
রাজনীতিকে কখনও ব্যক্তিগত পেশা হিসেবে নয়, বরং দায়িত্ব ও কর্তব্য হিসেবে নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, রাজনীতিকে যারা পেশা বানায় তাদের একটি অংশ দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মামলাবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এক বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু রাজনৈতিক কর্মী নারী ভোটারদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। বিশেষ করে বোরকা, নেকাব বা হিজাব পরা নারীদের পোশাক খুলতে বাধ্য করার হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি তীব্র নিন্দা জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা এ ধরনের কথা বলে তারা আগে নিজের মাকে সম্মান করতে শিখুক। নিজের মায়ের প্রতি সম্মানবোধ না থাকলে দেশের মা-বোনদের সম্মান করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের কোথাও যদি নারী ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক লাঞ্ছনা বা পোশাক নিয়ে টানাহেঁচড়া করা হয়, তাহলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তবে একই সঙ্গে তিনি আহ্বান জানান, অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।
মিথ্যা মামলা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক হয়রানির বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, এমন বাংলাদেশ তিনি দেখতে চান না যেখানে মানুষ চাঁদার চাপে অতিষ্ঠ, নিরীহ মানুষ মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার, কিংবা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব হারিয়ে ফেলেন।
স্বচ্ছতার বিষয়ে অঙ্গীকার করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের দল থেকে কেউ নির্বাচিত হলে প্রতি বছর জনগণের সামনে নিজের আয়-সম্পদের হিসাব প্রকাশ করবেন। শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি নয়, তার পরিবারের সদস্যদের আয়-সম্পদের তথ্যও প্রকাশ করতে হবে। জনগণের সম্পদে কেউ হাত দিয়েছে কিনা তা জানার অধিকার জনগণের আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যারা ভুল বক্তব্য দিয়েছেন বা অনৈতিক আচরণ করেছেন তারা অনুতপ্ত হয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন।





