স্টাফ রিপোর্টার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে -এর দীর্ঘ ও নাটকীয় রাজনৈতিক যাত্রার নতুন অধ্যায়। প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় দেশের বাইরে অবস্থানের পর তিনি আবারও ক্ষমতার রাজনীতির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটালেও বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত, কৌশল নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক বার্তায় তার প্রভাব সাম্প্রতিক সময়ে স্পষ্টভাবে বেড়েছে। দলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি এখনো প্রধান সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে বিবেচিত, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও দৃশ্যমান হচ্ছে।
রয়টার্স জানায়, রাজনৈতিক মামলা, দণ্ডাদেশ ও দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে একসময় তার ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়লেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেই তাকে দেখা হচ্ছে। বিরোধী রাজনীতিতে পুনর্গঠন, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের ক্ষেত্রে তার কৌশলগত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অর্থনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তন বিএনপির জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত রাজনৈতিক পুনরাগমন নয়, বরং দলটির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মোড় বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। দেশে ফেরার আইনি জটিলতা, অতীত দুর্নীতির মামলার প্রভাব এবং সাধারণ ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাসন থেকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করবে আগামী মাসগুলোতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনকালীন সমঝোতা ও সংঘাতের গতিপথের ওপর।





