স্টাফ রিপোর্টার | নিউজ চ্যানেল বিডি | ঢাকা |
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে ঘোষিত তালিকায় জায়গা হয়নি দলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট ও সিনিয়র নেতার।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, “এটি দলের একটি প্রাথমিক তালিকা। পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে সংশোধন বা পরিবর্তন আসতে পারে।”
🔹 হেভিওয়েটদের অনুপস্থিতি:
প্রকাশিত তালিকা ঘেঁটে দেখা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল এবং হুমায়ুন কবীরের নাম নেই তালিকায়।
এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আমিনুর রশিদ ইয়াসিন এবং ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপনও তালিকায় স্থান পাননি। আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নামও দেখা যায়নি প্রার্থীদের তালিকায়।
🔹 ঢাকা অঞ্চলে পরিবর্তন:
ঢাকা-১০ আসনে এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন অসীম ও রবিউল ইসলাম রবির নামও এবার বাদ পড়েছে।
এছাড়া মাগুরা অঞ্চলে মনোনয়নের আশায় থাকা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নও তালিকায় স্থান পাননি।
🔹 একই পরিবারের একাধিক মনোনয়ন নয়:
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি এবার একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর ফলে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদও এবার মনোনয়ন পাননি।
তবে যেসব আসন থেকে বিএনপির সিনিয়র নেতারা প্রয়াত হয়েছেন, সেসব এলাকায় তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে জানায় দলীয় সূত্র।
🏁 সমাপ্তি অংশ:
বিএনপি জানিয়েছে, ঘোষিত এই তালিকা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের, এবং মাঠপর্যায়ের জরিপ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে পরে।
এদিকে তালিকা প্রকাশের পর বাদ পড়া অনেক নেতা ও সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জানিয়েছেন—দলের সিদ্ধান্তের প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল থাকবেন এবং নির্বাচনী লড়াইয়ে দলের পক্ষে কাজ করবেন।





