স্টাফ রিপোর্টার, ৪ মার্চ ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ। দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মজুদ রয়েছে তা দিয়ে প্রায় এক মাস চলা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ।
বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের আঘাতে বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আরব দেশগুলো থেকে জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও।
মন্ত্রী বলেন, দেশে যে জ্বালানি মজুদ রয়েছে তা দিয়ে চলতি মাস পার করা সম্ভব হলেও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সংকট আরও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন বিকল্প বাজার থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।
তিনি আরও জানান, স্পট মার্কেট থেকেও জ্বালানি কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিকে সরকার “ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট” হিসেবে মোকাবিলা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, বাজার ও বিপণিবিতানগুলোতে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা সীমিত করা, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো এবং জ্বালানির অপচয় বন্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের লাইন ধীর হয়ে গেছে। তাই যে পরিমাণ জ্বালানি আছে তা সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকেও সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে।
এ সময় মন্ত্রী অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় কিছু ক্ষেত্রে জ্বালানি তেল ভারতে পাচার হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় ডিজেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।





