আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে ব্রাজিল থেকে গরুর মাংস আমদানি

ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশে গরুর মাংস আমদানি না হওয়ার মূল কারণ হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশনের অভাব। ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের…

Posted by:

on

ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশে গরুর মাংস আমদানি না হওয়ার মূল কারণ হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশনের অভাব। ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো দিয়াস ফেরেস বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, বহু বছর ধরেই ব্রাজিল বাংলাদেশে গরুর মাংস রপ্তানির আগ্রহ দেখাচ্ছে। এমনকি অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে — প্রতি কেজি প্রায় ৫সেন্ট (তৎকালীন বিনিময় হারে প্রায় ১১২/২২০ টাকা) — প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকারের সময়েও বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংক্রান্ত অনুমতির অভাব এই প্রক্রিয়াকে আটকে দেয়।

তিনি বলেন, প্রথমে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুমতির জন্য গেলে সেখান থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন নতুন নীতিমালা দেখায়, যা শেষ পর্যন্ত আমদানি প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গরু ও পোলট্রি মাংস উৎপাদনকারী দেশ। বিশ্বের অনেক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইতোমধ্যেই ব্রাজিল থেকে হালাল মাংস রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এর অনুমতি মিলেনি।

রাষ্ট্রদূত ফার্নান্দো দিয়াস ফেরেস আশা প্রকাশ করেছেন, খুব শিগগিরই এই সমস্যা সমাধান হবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।

তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল বাংলাদেশের প্রোটিন ঘাটতি পূরণে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান — বাংলাদেশে একটি গরু দিনে যেখানে কয়েক লিটার দুধ দেয়, সেখানে ব্রাজিলের গরু প্রতিদিন প্রায় ৪৫ লিটার দুধ উৎপাদন করে। এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের আমিষ চাহিদা মেটানো সহজ হবে।