ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ — ১৩ বছর আগের মামলায় ঢাকা সিএমএম আদালতের ৫ নম্বর আদালত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক সবুজ ও সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল.
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন—
সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরিফুল আলম মাসুম
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান মামুন
রাশেদ উল্লাহ রাশেদ
২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বনানী এলাকায় সড়ক অবরোধের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে বনানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি আদালত অভিযোগ গঠন করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ছয়জন সাক্ষী হাজির করা হয়।
গত রোববার আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশদেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ইলতুৎমিশ সওদাগর সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আদালতে ন্যায়বিচার পাইনি। জামিনের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন করব।” অবশেষে আদালত আজ তাদের জামিন মঞ্জুর করলে দুপুরে তারা জামিনে মুক্ত হন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে, আদালতের রায়ে আসামিপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যেসব ছাত্রনেতা ঢাকার রাজপথ কাঁপিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল ছিল অন্যতম। ২০১১-১২ সালে শেখ হাসিনা ও তার পুলিশের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যেসব ছাত্রদল নেতা বিএনপির পক্ষে মিছিল-সংগ্রাম পরিচালনা করেছিলেন, তাদের মধ্যে সোহাগ মোল্লা ও শরিফুল আলম মাসুম অগ্রভাগে ছিলেন।
গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে হরতাল-আন্দোলনে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা চালিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অবশেষে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি বলে সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ছাত্রদল নেতারা।





