—
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকাশ নিশ্চিত করতে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে আদেশটি কার্যকর হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহের আলোচনায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন হয় এবং সম্মিলিতভাবে দলগুলো তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে।
আদেশ অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারমূলক অংশ জনগণের অনুমোদনের জন্য গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। প্রশ্ন হবে—
“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫-এর প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?”
গণভোট ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনের পূর্বে বা নির্বাচনের দিনেই আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এজন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করবে।
গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ প্রথম অধিবেশন থেকে ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন করে গেজেটে প্রকাশ করবে। পরিষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে, অন্য কোনো অনুমোদন লাগবে না।
এছাড়া সংস্কার সম্পন্নের পর প্রতিনিধিত্বমূলক আনুপাতিক ভোটে নির্বাচিত উচ্চকক্ষ গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উচ্চকক্ষ গঠনের জন্য ৪৫ দিনের সময়সীমাও ঠিক করা হয়েছে। নতুন দ্বিকক্ষ ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষের মেয়াদ চলবে নিম্নকক্ষের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত।
সংস্কার বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে এবং পরিষদকে সকল সহায়তা দেবে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
—





