ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২৫:
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন — এই তিনটি ছাড়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্ভব নয়। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও কর্তৃত্ববাদ রোধে জাতীয় ঐক্যমত্যই এখন সময়ের দাবি।”
তিনি বলেন, ছাত্র ও তরুণ প্রজন্ম যে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখছে, সেটিই আগামী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভিত্তি। শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। গণসংহতি আন্দোলনের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন তিনি আরো বলেন
সাকি বলেন, “এই দেশের মানুষ আর কোনোভাবেই কর্তৃত্ববাদী বা ধর্মভিত্তিক ফ্যাসিবাদ মেনে নেবে না। গণসংহতি আন্দোলন সেই লক্ষ্য পূরণের সংগ্রামে অঙ্গীকারবদ্ধ।”
তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জুলাইয়ের জাতীয় সনদে স্বাক্ষরিত সংস্কার বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে জরুরি। সেই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন,
“একটি দলের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিলে রাজনৈতিক বিভেদ বাড়বে। অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে।”
জোনায়েদ সাকি জোর দিয়ে বলেন,
“মনে রাখতে হবে—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় স্বার্থ। নির্বাচন অবশ্যই মধ্য ফেব্রুয়ারির মধ্যে হতে হবে; তা না হলে অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে এবং জনগণ অন্তর্বর্তী সরকারকে ক্ষমা করবে না।”
তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“ন্যূনতম জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে সবাইকে হাতে হাত রেখে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটাতে হবে। বিভেদ নয়, ঐক্যই এখন সময়ের দাবি।”
🔖 মূল পয়েন্টসমূহ
গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জাতীয় ঐক্যমত্যের ওপর জোর।
বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন — তিনটি সমানভাবে অপরিহার্য।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান।
ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি।
কর্তৃত্ববাদী বা ধর্মভিত্তিক ফ্যাসিবাদকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা।





