নাশকতার মামলায় জামিনে মুক্ত শহিদুল ইসলাম বাবুল

ফরিদপুরের জনপ্রিয় বিএনপি নেতার বক্তব্যে কর্মীদের উচ্ছ্বাস জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ২০১৭…

ফরিদপুরের জনপ্রিয় বিএনপি নেতার বক্তব্যে কর্মীদের উচ্ছ্বাস

জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কক্সবাজার সফর শেষে ফেরার সময় রাজধানীর পল্টনে এক প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে এই মামলার সূত্রপাত হয়। ওই দিন বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন, সরকারবিরোধী স্লোগান দেন, ভিআইপি রোড অবরোধ এবং ভাঙচুরের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ আনা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পল্টন মডেল থানার এসআই মো. ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই এসআই আতাউর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর আদালত শহিদুল ইসলাম বাবুলকে বিভিন্ন ধারায় ৩ বছর ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৪ দিনের কারাদণ্ড দেন।

২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকার হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তবে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২৪ আগস্ট উচ্চ আদালতের আদেশে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর সামনে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুরের জনপ্রিয় এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন—

“হাসিনার আমলে আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়া সব মামলা ধীরে ধীরে প্রমাণ হচ্ছে মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। শুধু বিএনপির রাজনীতি করার কারণেই জেল-জুলুম ও মামলার শিকার হতে হয়েছে। আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে।”

এ সময় তিনি কারাগারে থাকার সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার খোঁজখবর নেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।