স্টাফ রিপোর্টার | ২১ অক্টোবর ২০২৫ | নিউজ চ্যানেলবিডি।
জে.এস.ডি (আ: র্যাব) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় নুরুল হক নুর সাম্প্রতিক সময়ে গণভোট ও পি আর -সংক্রান্ত বিতর্ককে তুলে ধরে বলেন, এক বিশেষ শ্রেণি স্বার্থপরায়ণভাবে গণভোটকে জাতীয় নির্বাচনের আগে এনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে — যা দেশের স্বার্থে নয়, ব্যক্তিগত লোভ-লালসার প্রয়াস।
নুরুল হক নুর বলেছেন, “বুলিং করে বা সাইবার হ্যারেসমেন্ট করে বলা যে আমরা সংস্কারের পক্ষের লোক না, আমরা সংস্কার চাই না, আমরা বিএনপি যেটা চায় সেটা চাই — এর চেয়ে বোকা এবং অকৃতজ্ঞ আর কে আছে।” তিনি বলেন, একটি শ্রেণি সমন্বিতভাবে (কলেক্টিভ ক্যাম্পেইন) গণভোটের নীতি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য বিষয়টিকে ব্যবহার করছে।
নুরের বক্তব্যের মূল অঙ্কন ছিল — ঐক্যমত্য কমিশনের আলোচনাসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণভোট ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সময়ে আলোচনা শেষে না হওয়ায় এখন নির্বাচনের মাঝেই নানা অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন সমস্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নির্বাচনের মাঝে ক্যাম্পেইন কিংবা জনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন… ডিসেম্বরে যদি তফসিল হয়, ফেব্রুয়ারিতে ইলেকশন হয় — সময় বাকি আছে; নির্বাচনের আগে এক মাস — এক মাসের আগে কি একটা গণভোট সম্ভব?” এছাড়া সরকার ও প্রশাসনের অনিশ্চিত অবস্থাকেও তিনি তুলে ধরেন: “এই দুর্বল প্রশাসন এবং সরকারও ক্ষণে ক্ষণে বদলায়… একেক সময় একেক পজিশন নেয়।”
নুরুল হক নুর আরও বলেন, গণভোটের বিষয়ে বিভক্তি থাকলে তারা তাদের যেই ফ্যাসিবাদী বিরোধিতা করে তাদের পরাজিত করেছে — তাকে সুযোগ করে দেবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে জাতীয় স্বার্থ ও মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে এগুলো সমাধান করা উচিত, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়।
সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ: নুরের টোনে সরকারের তৎপরতা এবং বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয়হীনতাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে — তিনি গণভোটকে রাজনৈতিক ‘টুল’ হিসেবে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির যে অভিযোগ তুলেছেন, তা আগামী সময়ে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রচারণার ধরণকে প্রভাবিত করতে পারে।





